ভারতে অন্ধ্র প্রদেশে জন্ম নেয়া বাহুবলি বা প্রভাস সব চরিত্রে যেন মানিয়ে যায় এই দক্ষিণ সুপার স্টার প্রভাস । তেলেগু সিনেমায় এক চিটিয়ে ভাবে অভিনয় করলেও বর্তমানে বলিউড পাড়ও তার জাদু ছড়াচ্ছেন এই অভিনেতা। বয়স দেখতে গেলে দেখা যায় ৪৩ বছর হয়ে গেছে তবুও তার অভিনয়ে কোন ঘাটতি নেই। ২০০২ সালে এশওয়ার ছবি দিয়ে চলচিএ দুনিয়ায় পা রাখেন। এরপর আরও বেশ কিছু তেলেগু ভাষায় ছবি সে অভিনয় করছেন। তিনি দক্ষিণ ভারতের তেলুগু অভিনেতা উপ্পলাপতি কৃষ্ণাম রাজুর ভাগ্নে হন।
তার মধ্যে অন্যতম : ২০০২ সালে এশওয়ার ছবি, ২০০৩ সালে রাঘভেন্দ্রা, ২০০৪ সালে ভার্শাম এবং আদাভি রামুদু, ২০০৫ সালে চক্রাম এবং ছত্রপতি, ২০০৬ সালে পৌরনামী, ২০০৭ সালে যোগী এরং মুন্না, ২০০৮ সালে বুজ্জিগাদু , ২০০৯ সালে বিল্লা এবং এক নিরাঞ্জন, ২০১০ সালে ডার্লিং, ২০১২ সালে মিস্টার পারফেক্ট, র্যাবেল এবং ডেনিকাইনা রেডি এবং ২০১৩ সালে মির্চি। ২০১৪ সালে তিনি প্রভু দেবা পরিচালিত বলিউডের একটি ছবি অ্যাকশন জ্যাকশন এর এটি ইটেম গানে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে হাজির হন।
{ গাঁজা যে নিসিদ্ধ মাদক, তা জানতামই না: অনন্যা পান্ডে – জানতে হলে আরটিকেলটি পড়ে আসুন }
প্রভাস এর সঙ্গে দক্ষিণের অভিনেএী অনুষ্কা শেট্টির সম্পর্ক নিয়ে কম জটলা হয় নি কিন্তু তারা বরাবরই প্রমাণ করেছেন তারা ভালো বন্ধু ছাড়া আর কিছুই নয়। তাতে কি অভিনেতার প্রেমে পাগল সকল তরুণরাই। ৬০০০ এর তেকেও বেশি মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রভাস। এমনকি নিজের বিয়ে ছাড়াও অনুসকার বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলেন বাহুবলির অভিনেতা। বাহুবলি ছবিতে অভিনয় করে ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে গেছে এই অভিনেতার। এরপর থেকে বাহুবলি নাম বল্লেই সবাই এক নামে চিনে ফেলে তাকে।
বাহুবলির ছবির জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন প্রভাস তবে ব্যক্তিগত জীবনে এই অভিনেতা বেশ সৌখিন। তার রয়েছে বিলাস বহুল বাড়ি গাড়ি। এছাড়াও তিনি জিম খুব পছন্দ করেন, দিনের বেশি ভাগ সময়ই তিনি জিমেই কাটিয়ে দেন। নানা রকম গাড়ির কালেকশন খুজতে গেলে সাহোর ছবির অভিনেতার কাছে বেশ কয়েকটি পেয়ে যাবেন। বলিউডের দামি অভিনেতা হিসেবেও নাম লিখেয়েছেন তিনি।