Trending

আইফোন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা

আজকে আমরা জানবো : আইফোন ব্যবহারের সুবিধা, আইফোন ব্যবহারের অসুবিধা, Advantages and disadvantages of iPhone.

দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন ক্যামেরা আত্মধ্বংসী ফিচারের কারণে আইফোন বাজারে সবচেয়ে সেরা। দিনে বা রাতে তোলা আইফোনের ছবিতে অন্যান্য ফোনের ক্যামেরায় তোলা ছবিকে খুব ভালোভাবেই টেক্কা দিতে পারে। তবুও আইফোন যদি কিনতে চান কিংবা ব্যবহার করতে চান সেই ক্ষেত্রে সুবিধা এবং অসুবিধা কথা জেনে নেওয়া উচিত।

 

সুবিধা

১ . স্প্যাম মেসেজ বা স্প্যাম মেইল ফিল্টার করার সুবিধাটি আইফোনে রয়েছে। যার ফলে স্মার্টফোনটি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ থাকে, হ্যাকিং এর মতো সমস্যায় পড়তে হয় না।

২ . আইফোনের ফেস আনলক ফিচার, খুঁটে অন্ধকারেও ব্যবহারকারী দ্বারা খুব ভালোভাবে আনলক হতে পারে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েডের সব ফোনে এমন ফিচার নেই বলা যেতেই পারে।

৩ . আইফোন ম্যাসেজ অ্যাপটির মাধ্যমে নানা ধরনের অর্থ লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যায়। সাধারণত বার্তা পাঠিয়ে এ সুবিধা চালু করা যায়। এই সুবিধাটি এখন পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েডের চালু হয়নি।

৪ . আইফোন ব্যবহারকারীদের সাধারণভাবে তাদের উপর বাবা-মার অ্যাপ নিয়ন্ত্রণ সুবিধা ফিচারস রয়েছে।

৫ . ভার্চুয়াল সহকারী অ্যাসিসটেন্ট সিরি। অ্যাপলের এই সফটওয়্যার আলাপচারিতার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনুবাদ করে দেখাতে পারে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ টি ভাষায় এ সুবিধা দেয়া হয়েছে। ইংরেজি থেকে চাইনিজ, জার্মানি, ইতালিয়ান এবং স্প্যানিশ ভাষায় ভাষা অনুবাদ করতে পারে অ্যাপলের এ আই সিরি। |

{ Samsung Galaxy M02s Full Specifications – ফোনটির সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেল টি পড়ে আসতে পারেন }

৬ . অ্যাপল ব্যবহারকারী রা নতুন চালিত ডিভাইস এর কাছে রেখে খুব দ্রুততম সময়ে সেটআপ করে নিতে পারে এতে অনেক ব্যক্তিগত সেটিংস পাসওয়ার্ড দ্রুত এবং নিরাপদে এক ফোন থেকে অন্য ফোনে চলে যায়।

 

আইফোন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা

অসুবিধা

১ . আই টিউনস :  গান, ভিডিও, ছবি, কিংবা মুভি ভরার জন্য এটি খুবই দরকার। আই টিউনস ইন্সটল না করে কোন কম্পিউটারের সাথে কোন আইফোন সংযোগ দেওয়া সম্ভব নয় আর আই টিউনস সম্পূর্ন ফ্রি নয়। এমনকি এটা প্রত্যেক বছরের সংস্করণ করারও প্রয়োজন হয়ে থাকে।

২ . ম্যাপ : আইফোন অ্যাপল তার নিজস্ব ম্যাপিং সুবিধা জুড়ে দিয়েছে। এটা অনেকটা হাসি তমশাও মত খোরাকের বিষয় কারণ এতটা অবাস্তব দেখা গিয়েছে যে, খোলা মাঠের জায়গায় নদী আর হাসপাতালে জায়গায় রেলস্টেশন দেখিয়ে থাকে। তাই অ্যাপল এর পক্ষ থেকে এমনিতেই বলা হয়েছে যে গুগল কিংবা নোকিয়ার ম্যাপটি ব্যবহারের জন্য।

৩ . অ্যাপল আইডি : অ্যাপলের আইডি ছাড়া কোন অ্যাপস ডাউনলোড করা যায় না। তাই অন্য কারো অ্যাপেল আইডি ব্যবহার না করে নিজের অ্যাপল আইডি তৈরি করে ব্যবহার করা উচিত। যদিও বাংলাদেশ থেকে এই মুহূর্তে অ্যাপল আইডি তৈরি করা যায় না।

৪ . ডিফল্ট অ্যাপ্লিকেশন আইফোন এর অন্যতম সীমাবদ্ধতা। স্বাভাবিক অবস্থায় ক্রোম কিংবা অন্য কোন ব্রাউজার এর ডিফল্ট হিসেবে নির্ধারণ করা যায় না।

৫ . আইফোনে মেইলের ক্ষেত্রে জিমেইল এর বদলে আইফোন তার ব্যবহারকারীদের সবসময় উৎসাহিত করে তাদের নিজস্ব ডিফল্ট মেইল ব্যবহার করার জন্য। সারা বিশ্বে ব্যবহারকারীদের কাছে ব্রাউজার হিসেবে ক্রোম মজিলা জনপ্রিয় এবং পরিচিতি লাভ করেছে। একই ভাবে জিমেইলও, পাশাপাশি আইফোনের সরাসরি ওয়েব থেকে কোন কিছু ডাউনলোড করা প্রায় অসম্ভব।

৬ . ফাইল শেয়ারিং এবং অনেক ঝামেলাপূর্ণ একটা বিষয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেশিরভাগ মানুষ অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করেন ফলে পরিচিতদের সঙ্গে কোন ফাইল আদান প্রদানের ঝামেলায় পড়তে হয় এই আইফোন ব্যবহারকারীদের।

৭ . কারো কারো মতে আনলক করা আই ফোনের চার্জ শেষ হয় খুব দ্রুতই আরও একটি অসুবিধা হলো আইফোনের ব্যাটারি পাল্টানো যায় না। অরিজিনাল অ্যাকেসরিজ পাওয়া যায় না। ভীষণ ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ। যদি ব্যাটারি চেঞ্জ করতে হয় কিংবা যদি কোন কিছু চেঞ্জ করতে হয় সেই ক্ষেত্রে অ্যাপেলের নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এগুলো চেঞ্জ করতে হয়।

এইসব ইনফরমেশন জানার পরও কি আপনি আইফোন কিনার জন্য উচ্তসাহীত? এটা অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন। | আইফোন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা |

Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম