কুমির আতঙ্ক ফরিদপুর বাসি - Crocodile Panic

জলাধারে কুমির আতঙ্কে ফরিদপুরের সালামখানি এলাকার মানুষের বন্ধ গোসলসহ নিত্যদিনের সকল ধরনের কাজ। সাময়িকভাবে উদ্ধার অভিযান সমাপ্তির পর জারি দেওয়া হয়েছে সর্তকতা, বর্তমানে সেখানে মোতায়েন আছে গ্রাম পুলিশ। কুমিরটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে ছেড়ে দেয়ার কথা জানিয়েছেন সেখানের জেলা প্রশাসক। যে জলাধার এলাকার পানির চাহিদা মেটায়, নিত্যদিনের কাজ যেখানে, সেখানে এখন রয়েছে  সর্তকতা জারি। কুমির আতঙ্কে দিন কাটছে ফরিদপুর সদরের সালাম খান গ্রামবাসীর। পদ্মা নদীর সাথে সংযুক্ত জলাধারটি স্থানীয়দের কাছে কুং নামে পরিচিত। ঈদের পর হঠাৎ সেখানে দেখা যায় একটি কুমির, দুদিন অভিযান চালিয়েও ধরতে ব্যর্থ হয় বনবিভাগ আর প্রাণী সম্পদ সংরক্ষণ অধিদপ্তর জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে যায় কুমিরটি। সর্তকতা জারি করে অভিযান সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে দৈনন্দিন সব কাজ বন্ধ রেখেছেন এলাকাবাসী।

সেখানে এক লোক লোকের জানিয়েছেন : এখনো কুমিরটি আছে, কাপড়চোপড় ধোয়া যাইতেছে না, নামাজে আইতেছে না অনেক বাচ্চা পোলাপান, এলাকায় লোক ভয়ে গোসল করতেছে না, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েতেছে।

{ লম্বা হওয়ার খাবার ও প্রাকৃতিক উপায় – জানতে এই আর্টিকেল টি পড়তে পারেন }

কুমিরটিকে এক নজর দেখার আশায় প্রতিদিনই এখানে আসছে অনেক মানুষ। আশপাশের এলাকার মানুষদের সেখানে যেতে মানা করলেও নানা জায়গা থেকে মানুষ এসে ভিড় জমাচ্ছে। এলাকাবাসী এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় মোতায়েন আছে গ্রাম পুলিশ এবং পার্শ্ববর্তী খেয়াঘাটে এখানে সতর্কীকরণ লিফলেট এখানে লাগিয়ে দিয়েছে। লোকজন যাতে উক্ত জলাধারে অবস্থান না করে এবং জলাধার এর ভিতরে চলাফেরাটা না করে এটি সেখানের নোর্টিশ উল্লেখিত আছে। কুমিরটি উদ্ধার করার জন্য সেখানকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা এসেছিল একবার কিন্তু জালে আবদ্ধ করতে পারেনি তারা। এরপর তারা যাওয়ার আগে আবার আসবে বলে জানিয়েছে গিয়েছেন। কুমির আতঙ্ক

কুমির উদ্ধার করে নিরাপদ আবাসস্থল এ ছেড়ে দেয়ার কথা জানান ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উবায়দুর রহমান।

Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম