করোনা ভয়াবহ পরিস্থিতি থাইল্যান্ডে - Corona Virus

মহামারির শুরু পর থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ সময় পার করছে থাইল্যান্ড। হঠাৎ মূত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার মর্গেও মরদেহ রাখার জায়গায় হচ্ছে না। মালামাল পরিবাহনের ফ্রিজিং কন্টেইনারে চলছে মরদেহ সংগ্রহ। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে জায়গা না থাকায় একের পর এক তৈরি হচ্ছে ফিল্ড হাসপাতাল।

তার মধ্যে একটি পুরো পরিবার করোণা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে তাই গ্রহনেরও কেউ নেই। রাখতে হবে মর্গে কিন্তু সেখানেও নেই জায়গা। সৎকারের আগে ঠাই এই রেফ্রিজারেটর কন্টেইনারে। মালামাল পরিবহনের কন্টেইনারকে রুপ দেয়া হয়েছে অস্থায়ী মর্গে। ২০০৪ সালে বিধংসী সুনামির পর মরদেহের চাপ সামলাতে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়ছিলো দেশটিতে। এবার মহামারির কারণে আবার কন্টেইনার সংগ্রহ করছে হাসপাতাল গুলো।

 

সেখানের স্থানীয় এক ডাক্তারের ভাষ্য মতে

কোভিট রোগিদের মরদেহগুলো কন্টেইনারে রাখছি। এসব মরদেহ সৎকারে দেরি হবে বা সজনরা নিয়ে যেতে পারছে না সেগুলো এখানে রাখা হচ্ছে। সুনামির ঘটনার পর ময়নাতদন্তের ও পরিচয় নিশ্চিতের জন্য এগুলো ব্যবহার করতাম। এরপর আর এগুলো দরকার হয় নি তবে এবার আবাও কিনতে হলো। হাসপাতালের ১০ টি ফ্রিজারের মর্গে সর্বোচ্ছ ৭ টি ময়নাতদন্ত হয়। এখন দৈনিক মূত্যু অনেক বেশি। অজানা কারণে যাদের মুত্যু হচ্ছে, তাদেরও নমুনা পরিক্ষার জন্য রাখতে হচ্ছে। মর্গে আর জায়গা হচ্ছে না।

{ ১ ক্লিকে ৯০ টাকা ইনকাম – এই আর্টিকেল সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেল টি পড়ে আসুন }

 

কোন উপসর্গ ছাড়া যেসব মূত্যু হচ্ছে সেসব মৃতদেহের নমুনা পরিক্ষার পর ২০ শতাংশের থেকেই অস্তিত্ব মিলছে ভাইরাসের। পরিক্ষার জন্যও সংগ্রহ করতে হচ্ছে কিছু মরদেহ।

ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর প্রভাবে এখন সর্বোচ্চ সংক্রমন এবং মুত্যু দেখছে থাইল্যান্ড। শনিবার রেকড ১৯ হাজারের বেশি সংক্রমন এবং ১৭৮ জনের মূত্যু হয়েছে দেশটিতে। এগুলো সহ আশপাশের শহরগুলোতে  হাসপাতালে আর রোগি ভর্তি করার ঠাই নেই। কেবল রাজধানীতেই ৬ হাজারের বেশি রোগি হাসপাতালে ভর্তির অপেক্ষায়। বিমান বন্দরের গুদামে জরুলি ভিক্তিতে ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করে চলছে চিকিৎসা।

 

সেখানের হাসপাতাল তৈরি কাজে এক কর্মচারির ভাষ্য মতে, খুব কঠিন সময় পার করছি। মনে হচ্ছে রোগে না ভুগলেও কাজের চাপে যেকোন সময় মারা যাবো। প্রতিনিয়ত খারাপ হচ্ছে পরিস্থিতি। অনেক বেশি মানুষের সাহায্য দরকার, চিকিৎসা দরকার।

থাইল্যান্ডের করোনা য় প্রাণহানি ৫ হাজারেরও নিচে। মহামারী শুধু থেকে অনেকটা নিরাপদ থাকলেও দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়া এখন অনেক দেশের মতো করোনা র ভয়াবহতা টের পাচ্ছে থাইরা

Post a Comment

Previous Post Next Post

যোগাযোগ ফর্ম